আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ লেবার পার্টিতে যোগ দিন - ২২ অক্টোবর লেবার পার্টির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে - সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যমুক্ত নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে বাংলাদেশ ছাত্র মিশনে যোগ দিন - ২৪ নভেম্বর ঢাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের মহাসমাবেশ সফল করুন - লেবার পার্টির মুলনীতি-সুস্থ্যধারার রাজনীতি আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ লেবার পার্টিতে যোগ দিন - ২২ অক্টোবর লেবার পার্টির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে - সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যমুক্ত নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে বাংলাদেশ ছাত্র মিশনে যোগ দিন - ২৪ নভেম্বর ঢাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের মহাসমাবেশ সফল করুন - লেবার পার্টির মুলনীতি-সুস্থ্যধারার রাজনীতি আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ লেবার পার্টিতে যোগ দিন - ২২ অক্টোবর লেবার পার্টির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে - সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যমুক্ত নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে বাংলাদেশ ছাত্র মিশনে যোগ দিন - ২৪ নভেম্বর ঢাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের মহাসমাবেশ সফল করুন - লেবার পার্টির মুলনীতি-সুস্থ্যধারার রাজনীতি আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ লেবার পার্টিতে যোগ দিন - ২২ অক্টোবর লেবার পার্টির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে - সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যমুক্ত নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে বাংলাদেশ ছাত্র মিশনে যোগ দিন - ২৪ নভেম্বর ঢাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের মহাসমাবেশ সফল করুন - লেবার পার্টির মুলনীতি-সুস্থ্যধারার রাজনীতি
মাওলানা আবদুল মতীন
প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান
ঐতিহ্য

মাওলানা আবদুল মতীন

রাজনৈতিক জীবন ও অবদান

প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান বাংলাদেশ লেবার পার্টি

মেহনতি ও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালের ১৭ আগস্ট তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লেবার পার্টি।

মাওলানা আবদুল মতীন — রাজনৈতিক জীবন ও অবদান

মাওলানা আবদুল মতীন ছিলেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির মূল স্বপ্নদ্রষ্টা এবং প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের সংগ্রামে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। দলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিশ্লেষণ করলে তাঁর নাম সর্বপ্রথম উঠে আসে।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ই লেবার পার্টির প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য।
মাওলানা আবদুল মতীন

বিস্তারিত রাজনৈতিক জীবন ও অবদান

দল প্রতিষ্ঠা

১৯৭৪ সালের ১৭ আগস্ট তাঁর নেতৃত্বেই মেহনতি ও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দিন থেকেই দলটি শ্রমিক, কৃষক ও জনগণের অধিকার রক্ষার রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে ওঠে।

রাজনৈতিক আদর্শ ও পূর্বসূরি

লেবার পার্টি গঠনের আগে তিনি অবিভক্ত জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ‘জাগো ফ্রন্ট’-এর অন্যতম নেতা ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি আওয়ামী লীগ ও পরবর্তীতে জাসদ (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল)-এর রাজনীতির সাথেও যুক্ত ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি লেবার পার্টি গড়ে তোলেন।

বাকশাল ও পুনর্জীবন

১৯৭৫ সালে দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা (বাকশাল) চালুর মাধ্যমে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হলে লেবার পার্টির কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।

পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের সুযোগ দিলে ২২ অক্টোবর মাওলানা আবদুল মতীন ও মাওলানা গোলাম মোস্তফার যৌথ উদ্যোগে লেবার পার্টি পুনরায় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়।

জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠন

১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে যখন ‘জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট’ গঠিত হয়, তখন মাওলানা আবদুল মতীনের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি সেই জোটের অন্যতম শরিক দল হিসেবে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।

মৃত্যু ও স্মরণ

১৯৯৬ সালের ১৪ মে মাওলানা আবদুল মতীন মৃত্যুবরণ করেন। প্রতি বছর মে মাসে দলটির পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে পালন করা হয়।

নেতৃত্বের মূল দিক

যে মূল্যবোধ ও লক্ষ্যে তাঁর নেতৃত্ব পরিচালিত

01

প্রতিষ্ঠাতা নেতৃত্ব

১৯৭৪ সালে দল গঠন ও শ্রমিক-কৃষক-জনতার পক্ষে রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি।

02

পুনর্জাগরণ

১৯৭৭ সালে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সুযোগে দলকে পুনরায় সক্রিয় করা।

03

জাতীয় ঐক্য

জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টে অংশগ্রহণ — সমন্বিত রাজনৈতিক কর্মসূচি।

বাংলাদেশ লেবার পার্টির সাথে থাকুন

সদস্য হয়ে গণতন্ত্র ও শ্রমের মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামে অংশ নিন।

সদস্য আবেদন